মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রধান কার্যাবলী

প্রধান কার্যাবলী

১। ভূমি উন্নয়ন কর আদায়।

২। সরকারী খাস ভূমির হেফাজতকরন।

৩। ভূমিহীনদের কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত।

৪। নামজারীর প্রস্তাব দেয়া।

৫। অফিসে হালনাগাদ ভূমি রেকর্ড সংরক্ষন করা।

৬। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হাট বাজার হতে খাস আদায় করা।

৭। সরকারি জলমহাল গুলি রক্ষনাবেক্ষন করা।

রেকর্ড সংশোধন তথা হালকরণ

রেকর্ড সংশোধন তথা হালকরণের জন্য আপনা কেনা মজারী/জমা ভাগ জমা একত্র করতে হবে। আর এজন্য আপনাকে ১০(দশ) টাকার কোর্ট ফিসহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে সাদা কাগজে দরখাস্ত করতে হবে। দরখাস্তের সাথে দলিলাদির ফটোকপি,  পর্চা,ও  (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফারায়েজ এর কপি) দিতে হবে। আবেদনটি প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন  ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কর্তৃক  তদন্ত করানো হবে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক শুনানী হবে। শুনানীর সময় মূলদলিল,পর্চা নিয়ে আসতে হবে। প্রস্তাবটি মঞ্জুর হলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যেয়ে নূন্যতম ২২৭টাকা জমা দিয়ে ডি,সি, আরও খারিজ খতিয়ান পেয়ে যাবেন। আর এজন্য আপনার সর্বোচ্চ সময় লাগবে ৪৫দিন।

ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত

জমির শ্রেণীভেদে খাজনার পরিমান ভিন্ন ভিন্ন হয়। আপত্তি থাকলে এবং শ্রেণী পরিবর্তন করতে হলে শুনানীর জন্য ৫(পাঁচ)টাকা ফি দিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করুন। 

নকল উত্তোলন

যেকোন রেকর্ডও আবেদনের নকল তুলতে জেলা প্রশাসকের দপ্তরের রেকর্ড রুমে আবেদন করুন।

অর্পিত সম্পত্তি(ভি,পিইজারা গ্রহণ

অর্পিত সম্পত্তি সাধারণত ১(এক) বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। জমি ও অবকাঠামোর ভিত্তিতে  নবায়নের প্রয়োজনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ৫(পাঁচ) টাকার কোর্টফি সহ বাংলা বছরের শুরুতেই আবেদন করুন। নবায়ন মঞ্জুর হলে নির্ধারিত লীজ মানি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পরিশোধ করে ডি,সি,আর সংগ্রহ করুন।

খাস জমির বন্দোবস্ত

খাস জমি দুধরণের-কৃষি ওঅকৃষি। দুটোই স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। চরাঞ্চলের খাসজমি একসনা ভিত্তিক বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। চাষ যোগ্য জমি একসনা নিয়ে ফসল বুনুন এবং বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করুন।

সার্টিফিকেট কেস

 

ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়ার দায়ে আপনার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট কেস হতে পারে। এতে আপনার বাপ দাদার ভোগদখল কৃত জমি নিলাম হয়ে যেতে পারে। সুতরাং এদুর্ঘটনা  এড়াতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করুন। প্রয়োজনে সার্টিফিকেট অফিসার/সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সাথে যোগাযোগ করুন।

২৫বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুফ

হাল  নাগাদ জমির বিবরণী দাখিল করেছেন, শুধুমাত্র কৃষি জমি যদি ২৫বিঘা বাতার নিচে হয়তা হলে খাজনা মওকুফের সুযোগ নিন। আর একাজে সহকারীক মিশনার (ভূমি) বরাবর৫(পাঁচ) টাকার কোর্টফি দিয়ে আবেদন করুন।

জমির শ্রেণী পরিবর্তন

পুকুরখনন, জলাশয় ভরাট,কৃষিজমি অকৃষিতে রূপান্তর,যত্রতত্র সমিল স্থাপন ও পরিবেশ বিঘ্নকারী প্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিরত থাকুন। জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ৫(পাঁচ) টাকার কোর্টফি দিয়ে আবেদন করুন।

 


Share with :

Facebook Twitter